সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Featured Post

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

অশনি যাচ্ছে ভারতের দিকেই । Ashani News

                                                   অশনি যাচ্ছে ভারতের দিকেই

অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’। পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় যার ফলে কলকাতার বিভিন্ন শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বহু এলাকা। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় নেওয়া হয়েছে বাড়তি প্রস্তুতি।

ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ বাংলাদেশের দিকে কতটুকু আঘাত হানবে টা এখনো জানা যায় নি। আজ দুপুরের মধ্যে জানা যাবে যে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ বাংলাদেশের দিকে কিভাবে আসবে। তবে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে এর বিস্তার হতে পারে বলে ধারনা বিশেষজ্ঞদের।

তবে প্রস্তুতি গ্রহণ করা এবং সিগন্যাল এর অপেক্ষা করার কথা জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

 দক্ষিণ এশিয়ার মাত্র কয়েকটি দেশ মিলে নারীদের সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়নশিপ পাওয়ায়, রাষ্ট্রীয় সেলিব্রেশন ও অভিনন্দন জানিয়েতো মিডিয়া ভাসিয়ে দিয়েছেন।   অথচ গতকাল সৌদি আরবে ৪১ তম কিং আবদুল আজিজ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের সালেহ আহমদ বিজয় ছিনিয়ে আনছেন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা তাকে সেলিব্রেশন ও অভিনন্দন জানিয়ে আলোকোজ্জ্বল করেছেন। পাশাপাশি সালেহ আহমেদকে ১ লক্ষ সৌদি রিয়াল পুরস্কৃত করা হয়েছে যা বাংলাদেশ পরিমাণ প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা ।  অথচ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের মিডিয়া সহ তেমন কারো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

হিরো আলম কী সামনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন | Hero Alam

আগামী বছর জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ব্যাপারে হিরো আলম মিডিয়াতে এখনো কোন কথা বলেন নাই। তবে তার কথা থেকে ধারনা নেওয়া হয়েছে যে, তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। গুলশানের নির্বাচনে তার উপর ঘটে যাওয়া ঘটনায় তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তিনি হতাশ। কারন বাংলাদেশের জনগণের কাছে তিনি এটা প্রত্যাশা করেন নাই। হিরো আলম সব সময় সত্যের পথে ছিলেন এবং আগামীতে ও থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

১৯৮০ সালের ছবি । British Library

  হুঁকা তৈরিতে ব্যস্ত কয়েকজন বাঙালি। ছবিটি ১৮৬০ সালের দিকে বর্তমান বাংলাদেশেরই কোনো একটি গ্রামাঞ্চল থেকে তোলা। ছবি : ব্রিটিশ লাইব্রেরি আমার মধু দাদাও খাইত।ওনি ছিলেন আমার বাবার চাচা। একটা লম্বা রাবারের পাইপ ছিলো, দূর থেকে টানতেন আর ঘুরুম ঘুরুম শব্দ হতো। মাঝে মাঝে টিক্কা জ্বালিয়ে দিতাম আগুন দিয়ে। আমার ফুফাতো ভাই কিবরিয়া কিছু দিন দাদার পার্টনার ছিল 😂😂😂।