সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Featured Post

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আত্মহত্যার চেষ্টায় সীমা আক্তার । Sima Akter Suicide

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আত্মহত্যার চেষ্টায় সীমা আক্তার
স্বামীর সাথে কলহের জের ধরে বিষ কিনতে গিয়েছিল রায়হানের দোকানে সিমা আক্তার, সেই থেকে সম্পর্ক এবং প্রেম-মেলামেশা। তবে এই পরক্রিয়ায় সম্পর্ক টিকে নি বেশি দিন।

বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন সীমা আক্তার (২০) নামে এক নারী। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মানসুরাবাদ গ্রামে বসবাস কারী এই নারী পরক্রিয়ায় জড়িত ছিল বলে জানা যায়। কীটনাশক বিক্রেতা মোঃ রায়হানের সাথে সম্পর্ক ছিল সিমা আক্তারের। বিয়ের পস্তাব দিয়ে একাধিকবার একসাথে কাটিয়েছেন।

ফন্দী করে স্বামীকে তালাক ও দিয়েছেন রায়হানের কথায়। তবে পরবর্তীতে রায়হান, সিমা আক্তার কে বিবাহ করবে না বলে জানিয়ে দেয়। এই নিয়ে সিমা আক্তার আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তিনি এখন হাঁসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

 দক্ষিণ এশিয়ার মাত্র কয়েকটি দেশ মিলে নারীদের সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়নশিপ পাওয়ায়, রাষ্ট্রীয় সেলিব্রেশন ও অভিনন্দন জানিয়েতো মিডিয়া ভাসিয়ে দিয়েছেন।   অথচ গতকাল সৌদি আরবে ৪১ তম কিং আবদুল আজিজ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের সালেহ আহমদ বিজয় ছিনিয়ে আনছেন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা তাকে সেলিব্রেশন ও অভিনন্দন জানিয়ে আলোকোজ্জ্বল করেছেন। পাশাপাশি সালেহ আহমেদকে ১ লক্ষ সৌদি রিয়াল পুরস্কৃত করা হয়েছে যা বাংলাদেশ পরিমাণ প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা ।  অথচ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের মিডিয়া সহ তেমন কারো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

হিরো আলম কী সামনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন | Hero Alam

আগামী বছর জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ব্যাপারে হিরো আলম মিডিয়াতে এখনো কোন কথা বলেন নাই। তবে তার কথা থেকে ধারনা নেওয়া হয়েছে যে, তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। গুলশানের নির্বাচনে তার উপর ঘটে যাওয়া ঘটনায় তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তিনি হতাশ। কারন বাংলাদেশের জনগণের কাছে তিনি এটা প্রত্যাশা করেন নাই। হিরো আলম সব সময় সত্যের পথে ছিলেন এবং আগামীতে ও থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

১৯৮০ সালের ছবি । British Library

  হুঁকা তৈরিতে ব্যস্ত কয়েকজন বাঙালি। ছবিটি ১৮৬০ সালের দিকে বর্তমান বাংলাদেশেরই কোনো একটি গ্রামাঞ্চল থেকে তোলা। ছবি : ব্রিটিশ লাইব্রেরি আমার মধু দাদাও খাইত।ওনি ছিলেন আমার বাবার চাচা। একটা লম্বা রাবারের পাইপ ছিলো, দূর থেকে টানতেন আর ঘুরুম ঘুরুম শব্দ হতো। মাঝে মাঝে টিক্কা জ্বালিয়ে দিতাম আগুন দিয়ে। আমার ফুফাতো ভাই কিবরিয়া কিছু দিন দাদার পার্টনার ছিল 😂😂😂।