সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Featured Post

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

ক্রাইম পেট্রোল দেখে অদিতা হত্যা | Crime Patrol

Crime Reporters
পুলিশকে জবানবন্দিতে রনি জানিয়েছেন, ভারতীয় টিভি সিরিয়াল ‘ক্রাইম পেট্রোল’ দেখার পর পরিকল্পনা করে অদিতাকে হত্যা করেন তিনি।

ক্রাইম পেট্রোল সিরিয়ালটি দেখে অনেক ছেলে মেয়ে খারাপ হয়ে যাচ্ছে।সমাজ যাচ্ছে ধ্বংসের দিকে।

ভারতীয় টিভি চ্যানেল গুলো দেখে, আমাদের দেশের নারীরা নষ্ট হচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে অনেক সংসার, আজকাল ভারতীয় টিভি চ্যানেল দেখে সেই সিস্টেমে মানুষ কে খুন করা হচ্ছে,খুব দুঃখজনক, এখন বাংলাদেশের পুলিশ আর সিআইডির উচিত ঐ একইভাবে তদন্ত কার্যকর করা।

ক্রাইম পেট্রোল এজন্যই আমি পছন্দ করিনা।খারাপ জিনিস গুলো মানুষ অণুসরন করে বেশি।সব সময় মাথায় জঘন্য চিন্তা ভাবনা কাজ করে।এ ধরনের চ্যানেল বন্ধ করা উচিত।

সিরিয়াল গুলোতে শুধু অপরাধ টাই সুন্দর করে হাতে কলমে দেখানো হয়। কিন্তু শাস্তি টা দেখানো হয়না।শুধুমাত্র এরেস্ট হওয়া পর্যন্তই। এসব অনুষ্ঠান বিকৃত চিন্তা চেতনার মানুষের মস্তিষ্ক আরও বিকৃত করে দেয় ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

 দক্ষিণ এশিয়ার মাত্র কয়েকটি দেশ মিলে নারীদের সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়নশিপ পাওয়ায়, রাষ্ট্রীয় সেলিব্রেশন ও অভিনন্দন জানিয়েতো মিডিয়া ভাসিয়ে দিয়েছেন।   অথচ গতকাল সৌদি আরবে ৪১ তম কিং আবদুল আজিজ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের সালেহ আহমদ বিজয় ছিনিয়ে আনছেন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা তাকে সেলিব্রেশন ও অভিনন্দন জানিয়ে আলোকোজ্জ্বল করেছেন। পাশাপাশি সালেহ আহমেদকে ১ লক্ষ সৌদি রিয়াল পুরস্কৃত করা হয়েছে যা বাংলাদেশ পরিমাণ প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা ।  অথচ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের মিডিয়া সহ তেমন কারো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

হিরো আলম কী সামনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন | Hero Alam

আগামী বছর জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ব্যাপারে হিরো আলম মিডিয়াতে এখনো কোন কথা বলেন নাই। তবে তার কথা থেকে ধারনা নেওয়া হয়েছে যে, তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। গুলশানের নির্বাচনে তার উপর ঘটে যাওয়া ঘটনায় তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তিনি হতাশ। কারন বাংলাদেশের জনগণের কাছে তিনি এটা প্রত্যাশা করেন নাই। হিরো আলম সব সময় সত্যের পথে ছিলেন এবং আগামীতে ও থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

১৯৮০ সালের ছবি । British Library

  হুঁকা তৈরিতে ব্যস্ত কয়েকজন বাঙালি। ছবিটি ১৮৬০ সালের দিকে বর্তমান বাংলাদেশেরই কোনো একটি গ্রামাঞ্চল থেকে তোলা। ছবি : ব্রিটিশ লাইব্রেরি আমার মধু দাদাও খাইত।ওনি ছিলেন আমার বাবার চাচা। একটা লম্বা রাবারের পাইপ ছিলো, দূর থেকে টানতেন আর ঘুরুম ঘুরুম শব্দ হতো। মাঝে মাঝে টিক্কা জ্বালিয়ে দিতাম আগুন দিয়ে। আমার ফুফাতো ভাই কিবরিয়া কিছু দিন দাদার পার্টনার ছিল 😂😂😂।