সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Featured Post

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

ইভ্যালির সমস্থ আপডেট কবে আসবে | Evaly Last Update

ইভ্যালির সমস্থ আপডেট কবে আসবে | Evaly Last Update
পূর্বের অর্ডার ডেলিভারি, গেটওয়ের টাকা এবং দেনা পরিশোধ সংক্রান্ত সকল আপডেট নিয়ে খুব শীঘ্রই একটি প্রেস কনফারেন্স আয়োজন করছে ইভ্যালি। ইভ্যালির নতুন বোর্ডের মধ্যে রাসেল সাহেবের স্ত্রী এবং তার পরিবার থাকছেন।


সাংবাদিকদের নিয়ে প্রেস কনফারেন্সে সকল বিষয় তুলে ধরবেন শামীমা নাসরিন এবং সাংবাদিকদের প্রশ্নের উওর দিবেন।


পূর্বের অস্থায়ী বোর্ডের সদস্যদের থেকে জানা যায়, নতুন করে ইভ্যালিতে প্রতারিত হবার সুযোগ নেই। ইভ্যালির সমস্থ হিসাব-নিকাশ এবং কার্যক্রম দেখাশোনা করবে সরকার।


দেনা পরিশোধের জন্য অবশ্যই ইভ্যালিকে সময় এবং সুযোগ দিতে হবে বলে জানান পূর্বের অস্থায়ী বোর্ডের মেম্বার। 


ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল সাহেবের জামিনের জন্য সব ধরনের আইনি কার্যক্রম চলমান আছে। ইভ্যালিকে সঠিক স্থানে আবার নিয়ে আসার জন্য রাসেল সাহেবের জামিন প্রয়োজন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

 দক্ষিণ এশিয়ার মাত্র কয়েকটি দেশ মিলে নারীদের সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়নশিপ পাওয়ায়, রাষ্ট্রীয় সেলিব্রেশন ও অভিনন্দন জানিয়েতো মিডিয়া ভাসিয়ে দিয়েছেন।   অথচ গতকাল সৌদি আরবে ৪১ তম কিং আবদুল আজিজ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের সালেহ আহমদ বিজয় ছিনিয়ে আনছেন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা তাকে সেলিব্রেশন ও অভিনন্দন জানিয়ে আলোকোজ্জ্বল করেছেন। পাশাপাশি সালেহ আহমেদকে ১ লক্ষ সৌদি রিয়াল পুরস্কৃত করা হয়েছে যা বাংলাদেশ পরিমাণ প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা ।  অথচ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের মিডিয়া সহ তেমন কারো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

হিরো আলম কী সামনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন | Hero Alam

আগামী বছর জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ব্যাপারে হিরো আলম মিডিয়াতে এখনো কোন কথা বলেন নাই। তবে তার কথা থেকে ধারনা নেওয়া হয়েছে যে, তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। গুলশানের নির্বাচনে তার উপর ঘটে যাওয়া ঘটনায় তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তিনি হতাশ। কারন বাংলাদেশের জনগণের কাছে তিনি এটা প্রত্যাশা করেন নাই। হিরো আলম সব সময় সত্যের পথে ছিলেন এবং আগামীতে ও থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

১৯৮০ সালের ছবি । British Library

  হুঁকা তৈরিতে ব্যস্ত কয়েকজন বাঙালি। ছবিটি ১৮৬০ সালের দিকে বর্তমান বাংলাদেশেরই কোনো একটি গ্রামাঞ্চল থেকে তোলা। ছবি : ব্রিটিশ লাইব্রেরি আমার মধু দাদাও খাইত।ওনি ছিলেন আমার বাবার চাচা। একটা লম্বা রাবারের পাইপ ছিলো, দূর থেকে টানতেন আর ঘুরুম ঘুরুম শব্দ হতো। মাঝে মাঝে টিক্কা জ্বালিয়ে দিতাম আগুন দিয়ে। আমার ফুফাতো ভাই কিবরিয়া কিছু দিন দাদার পার্টনার ছিল 😂😂😂।