সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Featured Post

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

লংকাবাংলা ফাইনান্স ও হোটেল প্যালেস | LankaBangla & Hotel Pales

লংকাবাংলা ফাইনান্স ও হোটেল প্যালেস | LankaBangla & Hotel Pales
লংকাবাংলা ফাইন্যান্স ও হোটেল এলিট প্যালেস এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর।

সম্প্রতি লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিঃ এর হেড অফ কার্ডস, মোঃ মিনহাজ উদ্দিন এবং হোটেল এলিট প্যালেস এর চেয়ারম্যান, মোহাম্মদ তাহের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। 

চুক্তির মাধ্যমে লংকাবাংলার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীগণ হোটেল এলিট প্যালেস থেকে হোটেল পরিসেবা নেয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০% ডিসকাউন্ট সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। 

অনুষ্ঠানে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স এর এফ.এ.ভি.পি এবং হেড অফ ব্রাঞ্চ, কুমিল্লা, এস.এম ইফতেখার মোহামুদ, স্ট্রাটেজিক বিজনেস এলায়েন্স ম্যানেজার, মেহেদী হাসান, স্ট্রাটেজিক বিজনেস এলায়েন্স ম্যানেজার, মোঃ জহিরুল হক এবং হোটেল এলিট প্যালেস এর জেনারেল ম্যানেজার, দাওলাত আহমেদ সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

 দক্ষিণ এশিয়ার মাত্র কয়েকটি দেশ মিলে নারীদের সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়নশিপ পাওয়ায়, রাষ্ট্রীয় সেলিব্রেশন ও অভিনন্দন জানিয়েতো মিডিয়া ভাসিয়ে দিয়েছেন।   অথচ গতকাল সৌদি আরবে ৪১ তম কিং আবদুল আজিজ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের সালেহ আহমদ বিজয় ছিনিয়ে আনছেন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা তাকে সেলিব্রেশন ও অভিনন্দন জানিয়ে আলোকোজ্জ্বল করেছেন। পাশাপাশি সালেহ আহমেদকে ১ লক্ষ সৌদি রিয়াল পুরস্কৃত করা হয়েছে যা বাংলাদেশ পরিমাণ প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা ।  অথচ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের মিডিয়া সহ তেমন কারো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

হিরো আলম কী সামনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন | Hero Alam

আগামী বছর জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ব্যাপারে হিরো আলম মিডিয়াতে এখনো কোন কথা বলেন নাই। তবে তার কথা থেকে ধারনা নেওয়া হয়েছে যে, তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। গুলশানের নির্বাচনে তার উপর ঘটে যাওয়া ঘটনায় তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তিনি হতাশ। কারন বাংলাদেশের জনগণের কাছে তিনি এটা প্রত্যাশা করেন নাই। হিরো আলম সব সময় সত্যের পথে ছিলেন এবং আগামীতে ও থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

১৯৮০ সালের ছবি । British Library

  হুঁকা তৈরিতে ব্যস্ত কয়েকজন বাঙালি। ছবিটি ১৮৬০ সালের দিকে বর্তমান বাংলাদেশেরই কোনো একটি গ্রামাঞ্চল থেকে তোলা। ছবি : ব্রিটিশ লাইব্রেরি আমার মধু দাদাও খাইত।ওনি ছিলেন আমার বাবার চাচা। একটা লম্বা রাবারের পাইপ ছিলো, দূর থেকে টানতেন আর ঘুরুম ঘুরুম শব্দ হতো। মাঝে মাঝে টিক্কা জ্বালিয়ে দিতাম আগুন দিয়ে। আমার ফুফাতো ভাই কিবরিয়া কিছু দিন দাদার পার্টনার ছিল 😂😂😂।