সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Featured Post

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

আকদ হুকুমার ভিসা কেমন

আকদ হুকুমার ভিসা কেমনঃ

দেশের উশৃঙ্খল পোলাপান গুলারে কুয়েতে আকদ হুকুমা ভিসায় এনে ছেড়ে দিলে একদম সোজা জিম্মাদারি লোক হয়ে বাংলাদেশে যাবে। 😐 

ভাই আপনি আসলে আমার কোন লাভ ক্ষতি নেই। শুধু ইনশানিয়াত থেকে বলছি আকদ ভিসায় আইসেন না।

ভাইরে এরা শুনবে না ।  আসতে দেন  তারপরে মজা বুঝবে।

আকদ হুকুমার ভিসায় কি কাজঃ

এটা আব্দুল হামিদ কোম্পানির আকুদ হুকুমাতের ভিসা। বলদিয়ার কাজের কনট্যাক্টে আনতেছে। আসার পর তাদের হাতে থাকা যেকোন কাজে লাগাবে।

দুরন্ত ছেলে গুলো এইধরনের কোং গুলোতে আসার পর একেবারে শান্ত ভদ্র হয়ে যায়।

আকদ হুকুমার ভিসায় আসার আগে জানুনঃ

সময় থাকতে সিদ্ধান্ত নেন। আমি কিছু বলবো না।  শুধু এতটুকু বলবো কুয়েতে আসতে হলে সোন আহলিয়া ভিসা ভালো  তবে এক লাখের উপরে খরছ করা যাবে না  আর বেসিক বেতন হতে হবে  ১২০ থেকে ১৫০ দিনার  ৮ ঘন্টা ডিউটি। এর ব্যাতিক্রম  হলে সারাজীবনের জন্য ভুল করবেন।  এইবার  আপনি সিদ্ধান্ত নিন।

আকদ হুকুমার ভিসা মানে ফাঁদে পরিয়া বঘা কান্দে ভিসা।

আকদ হুকুমার ভিসা
ছবিঃ আব্দুল হামিদ কোম্পানির আকদ হুকুমার ভিসা।



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

 দক্ষিণ এশিয়ার মাত্র কয়েকটি দেশ মিলে নারীদের সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়নশিপ পাওয়ায়, রাষ্ট্রীয় সেলিব্রেশন ও অভিনন্দন জানিয়েতো মিডিয়া ভাসিয়ে দিয়েছেন।   অথচ গতকাল সৌদি আরবে ৪১ তম কিং আবদুল আজিজ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের সালেহ আহমদ বিজয় ছিনিয়ে আনছেন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা তাকে সেলিব্রেশন ও অভিনন্দন জানিয়ে আলোকোজ্জ্বল করেছেন। পাশাপাশি সালেহ আহমেদকে ১ লক্ষ সৌদি রিয়াল পুরস্কৃত করা হয়েছে যা বাংলাদেশ পরিমাণ প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা ।  অথচ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের মিডিয়া সহ তেমন কারো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

হিরো আলম কী সামনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন | Hero Alam

আগামী বছর জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ব্যাপারে হিরো আলম মিডিয়াতে এখনো কোন কথা বলেন নাই। তবে তার কথা থেকে ধারনা নেওয়া হয়েছে যে, তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। গুলশানের নির্বাচনে তার উপর ঘটে যাওয়া ঘটনায় তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তিনি হতাশ। কারন বাংলাদেশের জনগণের কাছে তিনি এটা প্রত্যাশা করেন নাই। হিরো আলম সব সময় সত্যের পথে ছিলেন এবং আগামীতে ও থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

১৯৮০ সালের ছবি । British Library

  হুঁকা তৈরিতে ব্যস্ত কয়েকজন বাঙালি। ছবিটি ১৮৬০ সালের দিকে বর্তমান বাংলাদেশেরই কোনো একটি গ্রামাঞ্চল থেকে তোলা। ছবি : ব্রিটিশ লাইব্রেরি আমার মধু দাদাও খাইত।ওনি ছিলেন আমার বাবার চাচা। একটা লম্বা রাবারের পাইপ ছিলো, দূর থেকে টানতেন আর ঘুরুম ঘুরুম শব্দ হতো। মাঝে মাঝে টিক্কা জ্বালিয়ে দিতাম আগুন দিয়ে। আমার ফুফাতো ভাই কিবরিয়া কিছু দিন দাদার পার্টনার ছিল 😂😂😂।