সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Featured Post

বাংলাদেশ হারালো ১১১ টি দেশকে | Hafez Takrim

দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করবো কীভাবে | Dalal Chara Passport korar Niyom

পাসপোর্ট করার জন্য নিন্মলিখিত ডকুমেন্টস গুলো নির্ভুল এবং সঠিক লাগবেঃ

  1. ভোটার আইডি কার্ড অথবা এনআইডি কার্ড
  2. জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট অনলাইন কপি
  3. নাগরিকত্ব সনদ পৌরসভা কর্তৃক মূল কপি
  4. ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি
  5. বাবা-মা এর ভোটার আইডি কার্ড
  6. জে.এস.সি অথবা এস.এস.সি সার্টিফিকেট
Dalal chara passport

উপরোক্ত যেকোন ডকুমেন্টস গুলো তে যদি কোন তথ্য একটা আরেকটার সাথে অমিল থাকে, তাহলে পাসপোর্ট করতে সমস্যা পোহাতে হবে। আর যদি সব তথ্য মিল থাকে এবং কোন সমস্যা না থাকে, তাহলে কোন রকম দালাল ছাড়া এবং ঝামেলা ছাড়া পাসপোর্ট করতে পারবেন।

যেসব বিষয় গুলো খেয়াল করবেনঃ

  • আপনার ভোটার আইডি কার্ডের সাথে জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট অনলাইন কপির যেনো হুবহু মিল থাকে।
  • এনআইডি কার্ডে আপনার মাতা-পিতার নামের সাথে যেনো আপনার পিতা-মাতার এনআইডি কার্ড মিল থাকে।
  • আপনার সার্টিফিকেট অনুযায়ী আপনার নাম, বয়স, পিতা-মাতার তথ্য সঠিক থাকে এনআইডি এবং জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটে।

এই কয়েকটি জিনিস নির্ভুল থাকলে আর কোন চিন্তা করতে হবে না। খুব সহজেই আপনার পাসপোর্ট আপনি করতে পারবেন। অফিসের কোন দালাল আপনার আবেদন পত্রে ভুল বের করতে পারবেন না।

পাসপোর্ট করতে দালাল কেন ধরতে হয়?

  • কাগজপত্রে ভুল থাকলে।
  • অনেকে চিন্তা করেন, দালাল ছাড়া সম্ভব না।
  • নিজে একটু ও ঝামেলা পোহাতে না চাইলে।
  • লাইনে দাঁড়ানো এবং সময় বাচাতে।
  • দালালদের অস্বাভাবিক আচরন।
  • সরকারি অফিসের ভয়।
  • কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দুর্নীতি।

আসলে উপরোক্ত কারন গুলোর জন্য আমার দালাল দের কাছে গিয়ে সাহায্য নেই। অনেক টাকা ঘুস দিয়ে পাসপোর্টের আবেদন করি। এই সব ব্যাপার গুলোর কারনে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন যে, দালাল ছাড়া হয়তো পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব না।

★★★ যেসব বিষয় গুলো খেয়াল করলে কোন দালাল অথবা অফিসের কর্মচারীদের ঘুস ছাড়া পাসপোর্ট করতে পারবেন

১. নির্ভুল ডকুমেন্টস (দেখতে হবে যাচাই করে যে, আমার কোন কাগজপত্রে ভুল আছে কি না। ভুল থাকলে সাথে সাথে ঠিক করার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে)।
২. নির্ভুল ভাবে পাসপোর্টের আবেদনপত্রে সব তথ্য গুলো সাবমিট করতে হবে। কোন বিষয় না বুঝলে অনলাইন অথবা অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ কারো কাছ থেকে সাহায্য নিতে হবে।
৩. সকল ডকুমেন্টস গুলো সুন্দর ভাবে সাজাতে হবে।
৪. ফাস্টক্লাস অফিসার অর্থাৎ গেজেট ভুক্ত কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে নিতে হবে।
৫. ব্যংক ফি সঠিকভাবে এনআইডি কার্ডের সাথে মিল রেখে জমা দিতে হবে।

এভাবে সব কাজ গুলো করার পর পাসপোর্ট অফিসে আবেদন পএ জমা দেওয়া হলে, কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়া পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন।

দালাল ছাড়া পাসপোর্ট হবে কি না!

যদি কেউ এই ধারণা করে থাকেন যে, পাসপোর্ট করতে দালাল ধরার কোন বিকল্প নেই, তাহলে বলি, আমি নিজেই ১ টাকা ও কাউকে ঘুস প্রদান করি নাই। এমনকি পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় ও পুলিশ কে ১ টাকা ও দেই নাই। সেটা একটা কাহিনির মতো, অন্য কোন দিন সেই ঘটনা বলবো। ধন্যবাদ।

মন্তব্যসমূহ